![]() |
| আব্দুর রাজ্জাক - MCQ |
(১.) আবদুর রাজ্জাক ভারতে আসেন - (a) একাদশ শতাব্দীতে (b) দ্বাদশ শতাব্দীতে (c) চতুর্দশ শতাব্দীতে (d) পঞ্চদশ শতাব্দীতে।
উত্তর :- (d) পঞ্চদশ শতাব্দীতে।
(২.) আবদুর রাজ্জাক কোন দেশের দূত ছিলেন - (a) আফগানিস্তানের (b) ইরানের (c) ফ্রান্সের (d) ইতালির।
উত্তর :- (b) ইরানের (বর্তমান পারস্যের)।
(৩.) আবদুর রাজ্জাকের জন্ম - (a) হিরাট শহরে (b) তাঞ্জিয়ার শহরে (c) ভেনিসে (d) কাবুলে।
উত্তর :- (a) হিরাট শহরে।
(৪.) আবদুর রাজ্জাক পারস্য সম্রাট মির্জা শাহরুখের দূত হিসাবে ভারতের কোন রাজ্যে আসেন? - (a) বিজয়নগর (b) গুজরাট (c) কালিকট (d) মাবর রাজ্য
উত্তর :- (c) কালিকট।
(৫.) আবদুর রাজ্জাক কত খ্রিঃ কালিকট বন্দরে অবতরন করেন? - (a)১৪৪১ খ্রিঃ (b) ১৪৪২ খ্রিঃ (c) ১৪৪৫ খ্রিঃ (d) ১৪৩৫ খ্রিঃ।
উত্তর :- (b) ১৪৪২ খ্রিঃ।
(৬.) কোন অঞ্চলের রাজাকে "সামুরি" নামে ডাকা হতো - (a) কালিকট (b) মাবর রাজ্য (c) বিজয়নগর রাজ্য (d) কৈলম রাজ্য।
উত্তর :- (a) কালিকট।
(৭.) সামুরি মারা গেলে সিংহাসনে বসতেন - (a) সামুরির ভাই (b) সামুরির কনিষ্ঠ পুত্র (c) সামুরির দত্তক পুত্র (d) সামুরির ভাগ্নে।
উত্তর :- (d) সামুরির ভাগ্নে।
(৮.) আবদুর রাজ্জাক কালিকটে ছিলেন - (a) সাত মাস (b) ছয় মাস (c) তিন মাস (d) এগারো মাস।
উত্তর :- (b) ছয় মাস।
(৯.) আবদুর রাজ্জাক ভারতের কোন রাজ্যের লোকেদের অর্ধ নগ্ন অদ্ভুত জাতি বলে অভিহিত করেন? - (a) বিজয়নগরের (b) আন্দামানের (c) সিংহলের (d) কালিকটের।
উত্তর :- (d) কালিকটের।
(১০.) আবদুর রাজ্জাক ভারতে অপরুপ সৌন্দর্য মন্ডিত মন্দির দর্শন করেন - (a) বিজয়নগরে (b) কালিকটে (c) ম্যাঙ্গালোরে (d) গুজরাটে।
উত্তর :-(c) ম্যাঙ্গালোরে।
(১১.) আবদুর রাজ্জাকের বিজয়নগর আগমনকালে বিজয়নগরের রাজা ছিলেন - (a) প্রথম দেবরায় (b) দ্বিতীয় দেবরায় (c) কৃষ্ণদেব রায় (d) মল্লিকার্জুন।
উত্তর :- (b) দ্বিতীয় দেবরায়।
(১২.) বিজয়নগরে সঙ্গম বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ নৃপতি ছিলেন - (a) প্রথম দেবরায় (b) দ্বিতীয় দেবরায় (c) কৃষ্ণদেব রায় (d) মল্লিকার্জুন।
উত্তর :- (b) দ্বিতীয় দেবরায়।
(১৩.) আবদুর রাজ্জাক বিজয়নগর রাজ্যে আসেন - (a) ১৪৪২ খ্রিঃ (b) ১৪৪৩ খ্রিঃ (c) ১৪৪৪ খ্রিঃ (d)১৪৪৫ খ্রিঃ।
উত্তর :- (b) ১৪৪৩ খ্রিঃ।
(১৪.) আবদুর রাজ্জাক বিজয়নগর রাজ্য ভ্রমন করেন - (a) জামোরিনের অনুরোধে (b) মির্জা শাহরুখের অনুরোধে (c) দ্বিতীয় দেবরায়ের অনুরোধে (d) নিজের ইচ্ছায়।
উত্তর :- (c) দ্বিতীয় দেবরায়ের অনুরোধে।
(১৫.) লক্কনা দন্নায়ক ছিলেন - (a) বিজয়নগরের সেনাপতি (b) বিজয়নগরের দেওয়ান (c) বিজয়নগরের প্রধানমন্ত্রী (d) দ্বিতীয় দেবরায়ের রাজসভার পুরোহিত।
উত্তর :- (b) বিজয়নগরের দেওয়ান।
(১৬.) আবদুর রাজ্জাকের মতে বিজয়নগরের সৈন্য সংখ্যা ছিলো - (a) এগারো লক্ষ (b) চৌদ্দ লক্ষ (c) নয় লক্ষ (d) সাত লক্ষ।
উত্তর :- (a) এগারো লক্ষ।
(১৭.) "মাতলা - উস - সাদাইন ওয়া মাজমা - উল বাহরিন" কার ভ্রমন বৃত্তান্ত ছিলো? - (a) আবদুর রাজ্জাকের (b) নিকলো কন্টির (c) আলবেরুনীর (d) ইবন বতুতার।
উত্তর :- (a) আবদুর রাজ্জাকের।
(১৮.) বিজয় নগরে কয় ধরনের স্বর্নমুদ্রা প্রচলিত ছিলো? - (a) এক ধরনের (b) দুই ধরনের (c) তিন ধরনের (d) পাঁচ ধরনের।
উত্তর :- (c) তিন ধরনের।
(১৯.) পরতব ছিলো - (a) স্বর্নমুদ্রা (b) রৌপ্য মুদ্রা (c) তাম্র মুদ্রা (d) কাগজের মুদ্রা।
উত্তর :- (a) স্বর্নমুদ্রা।
(২০.) বিজয়নগরে সর্বোচ্চ মূল্যের মুদ্রাটি ছিলো - (a) বরাহ (b) পরতম (c) জিতল(d) ফনম।
উত্তর :- (a) বরাহ।
(২১.) তর কি ধরনের মুদ্রা ছিলো? - (a) তাম্র মুদ্রা (b) রৌপ্য মুদ্রা (c) স্বর্ন মুদ্রা (d) একধরনের কড়ি।
উত্তর :- (b) রৌপ্য মুদ্রা।
(২২.) বিজয়নগরে বহুল প্রচলিত মুদ্রার নাম ছিলো - (a) বরাহ (b) পরতব (c) ফনম (d) তর।
উত্তর :- (c) ফনম।
(২৩.) বিজয়নগরে সবচেয়ে কম মূল্যের মুদ্রাটির নাম ছিলো - (a) বরাহ (b) পরতব (c) জিতল (d) তর।
উত্তর :- (c) জিতল।
(২৪.) মহানবমী উৎসবটির কথা লিখেছিলেন - (a) আলবেরুনী (b) আবদুর রাজ্জাক (c) মার্কো পোলো (d) ইবন বতুতা।
উত্তর :- (b) আবদুর রাজ্জাক।
(২৫.) বিজয়নগর শহরটি ঘেরা ছিলো ________টি প্রাচীর দ্বারা। - (a) ৭ (b) ৮ (c) ৫ (d) ৩
উত্তর :- (a) ৭
(২৬.) বিজয়নগর রাজ্যে পাওয়া যেতো না - (a) হাতি (b) লোহা (c) ঘোড়া (d) মশলা।
উত্তর :- (c) ঘোড়া।
(২৭.) আবদুর রাজ্জাকের মতে বিজয়নগর রাজ্যে কোন ফুলের বিশেষ কদর ছিলো? - (a) গোলাপ (b) রজনীগন্ধা (c) জুঁই ফুট (d) পদ্ম ফুট।
উত্তর :- (a) গোলাপ।
(২৮.) আবদুর রাজ্জাকের মতে বিজয়নগরে বন্দরের সংখ্যা ছিলো - (a) ৩০০ টি (b) ৪০০ টি (c) ২০ টি (d) ৫০ টি।
উত্তর :- (a) ৩০০ টি।
(২৯.) আবদুর রাজ্জাকের বর্ননা অনুযায়ী দ্বিতীয় দেবরায়ের রাজপ্রসাদ অবস্থিত ছিলো - (a) প্রথম দুর্গে (b) তৃতীয় দুর্গে (c) পঞ্চম দুর্গে (d) সপ্তম দুর্গে।
উত্তর :- (d) সপ্তম দুর্গে।
(৩০.) মধ্যযুগের কোন পর্যটককে "Reluctant Traveller" বলে অভিহিত করা হয়? - (a) ইবন বতুতা (b) মার্কো পোলো (c) আলবেরুনী (d) আবদুর রাজ্জাককে।
উত্তর :- (d) আবদুর রাজ্জাককে।
(৩১.) আবদুর রাজ্জাক বিজয়নগর রাজ্য ত্যাগ করেন - (a) ১৯৪৫ খ্রিঃ জানুয়ারি মাসে (b) ১৯৪৩ খ্রিঃ নভেম্বর মাসে (c) ১৯৪৪ খ্রিঃ জানুয়ারি মাসে (d) ১৯৪২ খ্রিঃ ফেব্রুয়ারি মাসে।
উত্তর :- (b) ১৯৪৩ খ্রিঃ নভেম্বর মাসে।
(৩২.) পারস্যের পর্যটকের নাম হলো - (a) পায়েজ (b) নুনিজ (c) আবদুর রাজ্জাক (d) নিকোলো কন্টি।
উত্তর :- (c) আবদুর রাজ্জাক।
(৩৩.) আবদুর রাজ্জাক কার দূত হয়ে ভারতে আসেন? - (a) কুবলাই খান (b) মির্জা শাহরুখ (c) সুলতান মামুদ (d) জামোরিন।
উত্তর :- (b) মির্জা শাহরুখ।
(৩৪.) পঞ্চদশ শতকে ভারতে সামুদ্রিক বানিজ্যের বিবরন দিয়েছিলেন - (a) মার্কো পোলো (b) ইবন বতুতা (c) বার্নিয়ে (d) আবদুর রাজ্জাক।
উত্তর :- (d) আবদুর রাজ্জাক।
(৩৫.) বিজয়নগর শহরকে বিশ্বের অন্যতম সেরা শহর বলেছিলেন - (a) ইবন বতুতা (b) মার্কো পোলো (c) আবদুর রাজ্জাক (d) বার্নিয়ে।
উত্তর :- (c) আবদুর রাজ্জাক।
একঝলকে মনে রাখার মতো কিছু সংক্ষিপ্ত তথ্য :-
(১.) আব্দুর রাজ্জাকের -
- জন্ম হয় - ১৪১৩ খ্রিঃ ৭ নভেম্বর, পারস্যের (বর্তমান আফগানিস্তানের) হিরাট শহরে।
- মৃত্যু হয়েছিলো - ১৪৮২ খ্রিঃ আগস্ট মাসে, হিরাটে।
- প্রকৃত নাম ছিলো - কামালউদ্দিন আবদুর রাজ্জাক বিন ইশাক সমরকান্দি।
- উপাধি ছিলো - "Reluctant Traveller" বা "অনিচ্ছুক ভ্রমনকারী"
- পিতার নাম ছিলো - জালালউদ্দিন ইশাক।
- পিতা ছিলেন - পারস্য সম্রাট মির্জা শাহরুখের অধীনে কর্মরত একজন কাজি বা বিচারক।
- ভারত ভ্রমণে এসেছিলেন - পারস্য সম্রাট মির্জা শাহরুখের দূত হিসাবে।
- পরিভ্রমন করেন - দক্ষিণ ভারতের কালিকট ও বিজয়নগর রাজ্য।
- কালিকট বন্দরে পৌঁছান - ১৪৪২ খ্রিঃ নভেম্বর মাসে।
- কালিকট বন্দরে ছিলেন - প্রায় ৫/৬ মাস।
- বিজয়নগর রাজ্যে আসেন - ১৪৪৩ খ্রিঃ এপ্রিল মাসে।
- বিজয়নগর রাজ্যে ছিলেন - একবছরের বেশি সময়/প্রায় দুই বছর।
- বিজয়নগর রাজ্য ত্যাগ করেন - ১৪৪৪ খ্রিঃ নভেম্বর মাসে।
- স্বদেশে (হিরাটে) পৌঁছান - ১৪৪৫ খ্রিঃ।
- ভ্রমন বৃত্তান্তের নাম ছিলো - "মাতলা - উস - সাদাইন ওয়া মাজমা - উল - বাহরিন।"
- লেখা হয়েছিলো - ফারসি ভাষায়।
- গ্রন্থটির - একটি অধ্যায় রূপে ভারত ভ্রমনের অভিজ্ঞতাকে রাজ্জাক লিপিবদ্ধ করেন।
- দিল্লি সুলতানির শাসক ছিলেন - মহম্মদ শাহ।
- দিল্লি সুলতানিতে চলছিলো - সৈয়দ বংশের শাসন।
- বিজয়নগরে চলছিলো - সঙ্গম বংশের শাসন।
- সঙ্গম বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ ও তৎকালীন শাসক ছিলেন - দ্বিতীয় দেবরায়।
- দ্বিতীয় দেবরায়ের দেওয়ান ছিলেন - লক্কনা দন্নায়ক।
- পারস্যে তেমুরিদ বংশের শাসক ও তৈমুর লঙ্গের চতুর্থ পুত্র।
- পারস্যে তেমুরিদ বংশের শাসন শুরু করেন - তৈমুর লঙ্গ।
প্রকৃত নাম ছিলো - তৈমুর বিন তারাগাই বার্লুস।
চাখতাই তুর্কি ভাষায় তোমর বা তৈমুর শব্দের অর্থ - লোহা।
যুদ্ধে একটি পা নষ্ট হয়ে যাওয়ার জন্য তৈমুর - লঙ্গ বা খঞ্জ নামেই পরিচিত হন।
তৈমুর লঙ্গ ছিলেন - চতুর্দশ শতকের একজন দুর্ধর্ষ তুর্কি - মোঙ্গল সেনাধ্যক্ষ।
তৈমুর লঙ্গের জন্ম হয় - মধ্য এশিয়ার সমরখন্দে ১৩৩৬ খ্রিঃ।
তাঁর পিতা আমির তার্ঘি ছিলেন - চাখতাই তুর্কি গোষ্ঠীর লোক।
পিতার মৃত্যুর পর তৈমুর - সিরিয়া, তুর্কিস্থানের বেশ কিছু অঞ্চল, আফগানিস্তান ও ইরান জয় করে তৈমুরীয় সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
তাঁর কারনেই ইরানে - তৈমুরীয় রাজবংশ বা তিমুরিদ রাজবংশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
আবদুর রাজ্জাকের পৃষ্ঠপোষক পারস্য বা ইরানের শাসক মির্জা শাহরুখ ছিলেন - তৈমুর লঙ্গের চতুর্থ পুত্র।
তৈমুর লঙ্গ ভারত আক্রমণ করেন - ১৩৯৮ খ্রিঃ তুঘলক বংশের শেষদিকে।
তাঁর ভারত আক্রমণের সূত্র ধরেই - ১৪১৪ খ্রিঃ দিল্লিতে খিজির খাঁ সৈয়দ বংশের শাসনের সূত্রপাত ঘটান। খিজির খাঁ ছিলেন তৈমুর লঙ্গের বিশেষ অনুগত সৈনিক। তৈমুর তাঁকে মূলতান অঞ্চলের শাসনকর্তা নিযুক্ত করেছিলেন।
- বিজয়নগরের সঙ্গম বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ নৃপতি।
- তিনি ১৪৪৬ খ্রিঃ পর্যন্ত বিজয়নগরকে শাসন করেন।
- দ্বিতীয় দেবরায় বিজয়নগরের সীমানা শ্রীলঙ্কা পর্যন্ত বিস্তৃত করেছিলেন।
- দ্বিতীয় দেবরায় ঘোড়া কিনতে গিয়ে রাজকোষ শূন্য করে ফেলেছিলেন।
- মুদ্রা প্রচলিত ছিলো - ৫ রকমের।
- স্বর্নমুদ্রা ছিলো - ৩ ধরনের।
- স্বর্নমুদ্রার নাম ছিলো - সর্বোচ্চ মূল্যের "বরাহ", তার অর্ধেক "পরতব", "পরতবের" ১/১০ ভাগ "ফনম"।
- রৌপ্য মুদ্রার নাম ছিলো - "তর", এটি মূল্যমানে ছিলো ফনমের ১/৬ ভাগ।
- তামার মুদ্রার নাম ছিলো - "জিতল", এটি মূল্যমানে ছিলো তর এর ১/৩ ভাগ।
- সবথেকে বেশি প্রচলিত মুদ্রা ছিলো - ফনম।
- কালিকট বন্দর অবস্থিত ছিলো - মালাবার উপকূলে।
- কালিকটের রাজাকে বলা হতো - সামুরি বা জামোরিন।
- সামুরি বা জামোরিনের সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হতেন - তাঁর ভাগ্নে বা বোনের ছেলে।
- রাজ্জাকের মতে কালিকটের লোকেরা ছিলো - অর্ধনগ্ন অদ্ভুত জাতি।
- আবদুর রাজ্জাক কালিকটে আসেন - পারস্য সম্রাট মির্জা শাহরুখের দূত হিসাবে।
- আবদুর রাজ্জাক একটি সুদর্শন মন্দির দেখেছিলেন কালিকট থেকে বিজয়নগর যাওয়ার পথে - ম্যাঙ্গালোরে।
- আবদুর রাজ্জাকের আগে বিজয়নগরে এসেছিলেন - ইতালীয় পর্যটক নিকোলো কন্টি।
- বিজয়নগর রাজ্যের রাজধানীর নাম ছিলো - বিজয়নগর (বর্তমান হাম্পি)
- বিজয়নগর শহরটি ঘেরা ছিলো - ৭ টি প্রাচীর ও দুর্গ দ্বারা।
- বিজয়নগরে রাজপ্রাসাদ অবস্থিত ছিলো - সপ্তম প্রাচীরে অবস্থিত সপ্তম দুর্গে।
- বিজয়নগরে দেওয়ানখানা ও টাঁকশাল ছিলো - রাজপ্রাসাদের বামদিকে।
- বিজয়নগর প্রাসাদের কাছে ছিলো - চারটি বড়ো বাজার।
- বিজয়নগরে জেনানা মহল তৈরি করা হয়েছিলো - রাজপ্রাসাদের নারীদের জন্য।
- বিজয়নগরের প্রধানমন্ত্রীকে বলা হতো - মহাপ্রধান।
- বিজয়নগরে দেবদাসী, গনিকাপ্রথা ও সতীদাহ ব্যাপক প্রচলনের কথা বলেন - আবদুর রাজ্জাক।
- আবদুর রাজ্জাকের মতে বিজয় নগরে বানিজ্য কেন্দ্র ও বন্দর ছিলো যথাক্রমে - ৮০ টি ও ৩০০ টি।
- বিজয়নগর রাজ্যের সৈন্য সংখ্যা ছিলো - ১১ লক্ষ।
- বিজয়নগরের রাজা দ্বিতীয় দেবরায়ের রানীর সংখ্যা ছিলো - ৭০০।
- পঞ্চদশ শতকের ভারতে সামুদ্রিক বানিজ্যের বিবরন দেন - আবদুর রাজ্জাক।
- বিজয়নগরে গিল্ডের উপস্থিতির কথা বলেছিলেন - আবদুর রাজ্জাক।
- বিজয়নগরের প্রধান উৎসব ছিলো - মহানবমী উৎসব।
- মহানবমী উৎসব চলতো - ৩ দিন।
- মহানবমী উৎসব শুরু হতো - দুর্গাপুজার নবমী তিথিতে।
- বিজয়নগরের সমাজ জীবনে বিভিন্ন ফুলের মধ্যে বিশেষ গুরুত্ব পেতো - গোলাপ।
- বিজয়নগর রাজ্যে পাওয়া যেতো না - ঘোড়া।
- বিজয়নগর রাজ্যে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যেতো - হাতি।
- বিজয়নগর রাজ্যের বনিকরা ঘোড়া সংগ্রহ করতো - গোয়া বন্দর থেকে।
- বিজয়নগর রাজ্যে কর্মচারী নিয়োগে বিশেষ গুরুত্ব পেতেন - ব্রাহ্মনরা।
- বিজয়নগরে মুদ্রা প্রচলিত ছিলো - ৫ ধরনের। যথা - বরাহ, পরতব, ফনম, তর, জিতল।
- ওরমুজ বা হরমুজ বন্দর অবস্থিত ছিলো - ইরানে।
- আবদুর রাজ্জাকের মতে, দ্বিতীয় দেবরায়ের সময় বিজয়নগর সাম্রাজ্য বিস্তৃত ছিলো - সেরেনডিব (শ্রীলঙ্কা) এর সীমান্ত থেকে কালবেরগ (গুলবর্গা) ও ঊড়িষ্যা থেকে মালাবার পর্যন্ত।
